ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের মতে, বর্তমান রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন এখন সময়ের অপেক্ষা। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের সঙ্গে মিত্র রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে, বিশেষ করে জামায়াতকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় সম্মানজনক অবস্থান ও স্থিতিশীলতার আশ্বাস দেওয়ার বার্তাও পরোক্ষভাবে উঠে আসছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির বর্ষীয়ান সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সাংবিধানিকভাবে বহাল থাকলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন সরকার গঠনের পর দ্রুত পদটি শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকে ঘিরে বিএনপির ভেতরে ও বাইরে কৌশলগত আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করেছে।

