ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন সরকারে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে সম্ভাব্য শিক্ষামন্ত্রীর তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নাম।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। ১১০টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।
রাজনীতিবিদ ও লেখক হিসেবে পরিচিত এহছানুল হক মিলন ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় পাবলিক পরীক্ষায় নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নেওয়া তার কঠোর অবস্থান দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়। পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে হেলিকপ্টার ব্যবহারসহ বিভিন্ন দৃশ্যমান পদক্ষেপের মাধ্যমে নকলের বিরুদ্ধে তিনি জোরালো বার্তা দেন।
এর আগে ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা খাতে পূর্ববর্তী ভূমিকার কারণে নতুন সরকারে তাকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে।

