অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালনকালে ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর রাতে বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের ঘটনাকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বিভীষিকাময় রাতগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ব্যানার ও পরিচয়ে ভাড়াটিয়া লোকজন জড়ো করা হয়েছিল। হঠাৎ করে বিপুল অর্থের জোগান ও সংগঠনের ধরন দেখে বিষয়টি তাঁর কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের সদস্যরা তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন উদ্দেশ্যমূলকভাবে উত্তেজনা ছড়াতে চেয়েছিল এবং ক্যামেরার সামনে নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তা রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর দৃঢ় অবস্থান ও এপিসি ব্যবহার করে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
সেই রাতে রাতভর বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে সভা ও স্লোগান চলতে থাকে বলে তিনি জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ওই দুঃসময়ে তিনি সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রশ্নে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সহযোগিতা পেয়েছেন। বিশেষভাবে তারেক রহমানের আন্তরিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংকটকালে বিএনপির সমর্থন ছিল শতভাগ।

