যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যেই নিজেদের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে নির্মিত হাজারো ড্রোনের ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির দেওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাজারো ড্রোন সারিবদ্ধভাবে সাজানো আছে। খবর সিএনএনের।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ড্রোনগুলোই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার ঘাঁটি ও ইসরাইলের হামলা চালাতে ব্যবহার করা হয়। তবে ভিডিওতে দেখানো ড্রোন সম্পর্কে তারা কিছু বলেনি।
ফারস নিউজের ভিডিওতে দেখা যায়, ড্রোনগুলো রকেট লঞ্চারের ওপর স্থাপিত এবং সুড়ঙ্গের দেয়ালে ইরানের পতাকা ও প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবি।
তেহরান দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কয়েকটি অংশকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছে। তারা দেশজুড়ে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ, লুকানো ঘাঁটি এবং সুরক্ষিত উৎক্ষেপণকেন্দ্র তৈরি করেছে। এই নেটওয়ার্কের কারণে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সক্ষমতাকে দ্রুত দুর্বল করা কঠিন হবে।
ইরানের হাতে থাকা সবচেয়ে বড় অস্ত্র ড্রোন। এটি ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় ধীরগতির, কিন্তু দামে সস্তা এবং একবারে অনেকগুলোকে উৎক্ষেপণ করা যায়। একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ঢেউয়ের মতো আঘাত হানতে পারে।
একটার পর একটা ড্রোন যখন আসতে থাকে, তখন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।
এ ছাড়া ড্রোন হামলার মাধ্যমে বিমানবন্দর, বন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সতর্ক অবস্থায় রাখা যায়। ক্ষেপণাস্ত্রের বেলায় যেটা সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের মতে, যদি যুদ্ধ গভীর হয়, তবে ড্রোন ব্যবহার করে হামলার কৌশল আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

