৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
দিবসটিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ডিএমপি জানায়, ৫ আগস্টের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার থাকবে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা সাদা পোশাকে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হতে পারে—এমন স্থানগুলোতে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। এসব এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে সিটিএসবি ও আইএডির গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্স, র্যাব ও সিআইডি যৌথভাবে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।
সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন ও নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকি করবেন।

