জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে সব ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুসলিম কাউন্সিল।
বুধবার (১২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও জাদুঘরে ভাস্কর্য স্থাপন দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। সংগঠনটির দাবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, পোস্টার, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, দলিলপত্র, শহীদদের ব্যবহৃত সামগ্রীসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনের মাধ্যমে আরও তথ্যনির্ভরভাবে ইতিহাস সংরক্ষণ সম্ভব।
বাংলাদেশ মুসলিম কাউন্সিলের সভাপতি মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী বলেন, মূর্তি ও ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি ধারণের জন্য প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরে ভাস্কর্য স্থাপন করা সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি নয়; এটি বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রামের ইতিহাস।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে কওমি মাদ্রাসার আলেম-ওলামা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও ইতিহাসে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। একইসঙ্গে হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে উপজীব্য করে নির্মিত ভাস্কর্যসহ অন্যান্য ভাস্কর্য দ্রুত অপসারণের দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ মুসলিম কাউন্সিলের সভাপতি মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, সহসভাপতি মুফতি কেফায়াতুল্লাহ আযহারী, সাধারণ সম্পাদক মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক মুফতি এনায়েতুল্লাহসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা স্বাক্ষর করেন।

