ইরানের সীরিক শহরের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন বিমান হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত একাধিক যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় সম্মিলিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এই অভিযানের পর পুরো অঞ্চলজুড়ে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের এই হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি মেরামত কেন্দ্র, প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের গুদাম এবং নজরদারি বেলুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংকে আগুন ধরে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য হতাহত হয়েছেন বলে আইআরজিসির তরফ থেকে দাবি করা হয়। তবে এসব ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের দাবির সত্যতা স্বাধীন কোনো পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
হামলার পর সম্ভাব্য সুরক্ষার উদ্দেশ্যে গত ছয় ঘণ্টার মধ্যে তৃতীয়বারের মতো জরুরি সতর্কতা জারি করেছে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় দেশটি নিজ দেশের নাগরিকদের শান্ত থেকে নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
অন্যদিকে, সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননের কফর রেমান এবং আরব সালিম এলাকার উপকণ্ঠে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এর আগে ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের তিনটি স্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আটজন আহত হন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির সংবাদ সংস্থা ইরনা।

