বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের বাসভবনে তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে এই অভিনন্দন জানান তিনি।
সাক্ষাতের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, তারেক রহমানের এই আগমন জাতীয় রাজনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংলাপ ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন, যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। ১১ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জামায়াত আমির জানান, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি এই আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কোনো নাগরিক যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়—এটাই সবার প্রত্যাশা।
নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে নির্বাচিত সরকারকে জামায়াতে ইসলামী পূর্ণ সহযোগিতা দেবে। তবে আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে তারা আপসহীন থাকবে। সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সমর্থন থাকবে, আবার যেখানে জবাবদিহির প্রয়োজন হবে সেখানে তারা সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে।
এর আগে সন্ধ্যা সাতটার দিকে তারেক রহমান ফুল দিয়ে জামায়াত আমিরকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

