যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সক্রিয় সময় পার করছেন আমিনুল হক। রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে দেশের ৫১টি ক্রীড়া ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলার। বৈঠকে প্রতিটি ফেডারেশনের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি গত এক বছরে তাদের সাফল্য ও ব্যর্থতার বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী সাত দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে নির্দেশ দেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা এ সময় তাদের আর্থিক ও কাঠামোগত দাবিদাওয়া তুলে ধরেন।
বৈঠকে জানানো হয়, ক্রিকেট বাদে অধিকাংশ ফেডারেশনই চরম আর্থিক ও অবকাঠামোগত সংকটে রয়েছে। দেশের জনপ্রিয় খেলা ফুটবলেরও এখনো নিজস্ব কোনো একক স্টেডিয়াম নেই। অনেক ফেডারেশন স্বল্প বাজেট, অনুশীলনের সংকট এবং স্থায়ী অফিস না থাকার সমস্যার কথা প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করে। প্রায় তিন ঘণ্টার আলোচনা শেষে আমিনুল হক বলেন, জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের একটি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য ফেডারেশনগুলোকে খেলোয়াড়দের তালিকা দিতে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে ঈদের পর তা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খেলার সামগ্রী করমুক্ত বা কর হ্রাসের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি স্পন্সর ও করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল কীভাবে ক্রীড়া খাতে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
বর্তমানে অধিকাংশ ফেডারেশন অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। উপজেলা পর্যায় থেকে জেলা ও বিভাগ হয়ে ফেডারেশন পর্যায়ে নির্বাচন সম্পন্ন করার একটি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টিস’ কর্মসূচি ঈদের পরপরই শুরু করার পরিকল্পনার কথাও জানান।

