চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত রেশমি আক্তার সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন। তিনি জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে রেশমি হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে নগরের বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলি এলাকায় মায়ের জন্য পান আনতে ঘর থেকে বের হন রেশমি আক্তার। এ সময় এলাকায় সন্ত্রাসীদের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি চলছিল। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীদের ছোড়া একটি গুলি এসে রেশমির চোখে বিদ্ধ হয়। এতে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা গোলাগুলি থামার পর গুরুতর আহত অবস্থায় রেশমিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলেই তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রথমে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান।

