রাজধানীর ওয়ারী থানায় দায়ের করা প্রতারণার মামলায় দেশের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহফুজুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মামলার আরেক সন্দেহভাজন আসামি নিশাদুজ্জামান নিশাদকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তৌহিদ উদ্দিন আফ্রিদির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন বলে আদালতে জানানো হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী সৈয়দ গোলাম মুর্তজা ইবনে ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ইকবাল মাহমুদ শোভন এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তৌহিদ আফ্রিদিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি অনলাইন প্রতারক চক্র হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। শুরুতে অল্প পরিমাণ অর্থ ফেরত দিয়ে বিশ্বাস অর্জনের পর ধাপে ধাপে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়। পরবর্তীতে মুনাফাসহ টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিলেও ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যূতি অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের করেন।
এর আগে গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

