হবিগঞ্জের বাহুবল বাজার এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়া (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল গাজির মোকাম এলাকায় রাস্তার পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার শংকরপুর (ইছবপুর) গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় সিএনজি অটোরিকশাচালক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে বাহুবল বাজার এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন তুহিন। এরপর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
বুধবার সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল গাজির মোকাম এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বাঁশঝাড়ের মধ্যে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের ধারণা, সিএনজি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তুহিনকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসাইন জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে একটি রাস্তার পাশে বাঁশঝাড়ের মধ্যে মরদেহটি পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে সেখানে মরদেহটি ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

