জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) গবেষণায় স্বীকৃতি ও উৎসাহ দিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘রিসার্চ পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাবিপ্রবির একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে রিসার্চ সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, প্রকৌশল অনুষদ থেকে গবেষণায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হুমায়ন কবির। বর্তমানে তিনি শিক্ষাছুটিতে আছেন এবং জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছেন। তিনি বর্তমানে 3D ইমেজ প্রসেসিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস নিয়ে গবেষণা করছেন, যা ক্যান্সার ডায়াগনস্টিক এবং ড্রাগ স্ক্রিনিংয়ে সহায়তা করবে।
জাবিপ্রবি রিসার্চ সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলী হোসেন এবং রেজিস্ট্রার সারোয়ার জাহান।
মোঃ হুমায়ন কবির বলেন, “এই অর্জনের জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। রিসার্চ পাবলিকেশন ফেয়ার আয়োজনের মাধ্যমে গবেষণাকর্মের মূল্যায়ন এবং গবেষকদের উৎসাহিত করার জন্য জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও রিসার্চ সেলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ ধরনের উদ্যোগ গবেষকদের অনুপ্রাণিত করবে।
আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ, আমার রিসার্চ টিমের সদস্যদের, সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি, যাঁরা আমার গবেষণার পথচলায় সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।
আমি এখনো গবেষণার জগতে একেবারেই শিক্ষানবিশ। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে শিখছি এবং অর্জিত জ্ঞান শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে আরও জ্ঞান অর্জন, গবেষণার মানোন্নয়ন এবং দেশের গবেষণা অঙ্গনে অর্থবহ অবদান রাখার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই। এ জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘রিসার্চ পাবলিকেশন ফেয়ার-২০২৫’-এ ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ গবেষকদের নির্বাচন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের বিজয়ী শিক্ষকদের পুরস্কৃত করা হয়। একই সঙ্গে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ গবেষণা প্রণোদনাও ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

