নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম ও প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন। তাদের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বহিষ্কারের বিষয়ে শাখাওয়াত হোসেন সায়েম বলেন, বহিষ্কারের আগে তাকে কোনো ধরনের নোটিশ বা মৌখিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তিনি দাবি করেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িত ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে খায়রুল আমান শাওন বলেন, বহিষ্কারের আগে কেন্দ্রীয় সংসদ তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, দলের দুঃসময়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনো সংগঠনের আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হননি।
শাওন আরও দাবি করেন, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সঙ্গে তার মতপার্থক্য ছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর নৈতিক অবস্থান থেকে তিনি তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন বলেও দাবি করেন। তার ভাষ্য, এ কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশের বশবর্তী হয়ে বহিষ্কার করা হয়ে থাকলে তা দুঃখজনক। তবে সংগঠনের সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান করেন বলেও জানান।
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ছাত্ররাজনীতি করতে হলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। সংগঠনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

