ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই ৩৬ হল কালচারাল ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে আইসিটি (I.C.T) বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাইসা আমিন লস্কর ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাইমুনা সুলতানা মিম নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এ. কে. এম শামছুল হক ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এ কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে স্থান পেয়েছেন শারমিন শিলা (ইংরেজি, ২০২০-২১) ও ইরানি সাবরিনা ইরা (আল ফিকহ এন্ড ল, ২০২০-২১)।
এছাড়াও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে মরিয়ম আক্তার চৈতি (অর্থনীতি) ও জেরিন আক্তার মীম (অর্থনীতি), সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে হাবিবা সিগমা (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), সহকারী-সাংগঠনিক সম্পাদক অদিতি ঢালী (উন্নয়ন অধ্যয়ন), দাপ্তরিক সম্পাদক পাপিয়া সুলতান মুক্তা (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), আয়োজন ব্যবস্থাপক জাকিয়া সুলতানা (ব্যবস্থাপনা), অর্থ সম্পাদক সুরাইয়া শ্রাবণী (ব্যবস্থাপনা), প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোছা: সারমিন আক্তার (সমাজকল্যাণ), সংস্কৃতি-বিষয়ক সম্পাদক প্রিয়া রানী মন্ডল (আল ফিকহ এন্ড ল) এবং আতিথেয়তা ব্যবস্থাপক পদে কারিমা তাসনিম (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি) দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন রাওফুন নাহার (লোক প্রশাসন), প্রমা ভট্টাচার্য (লোক প্রশাসন), ফাতেমা বিনতে আমিনুর ( দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ), লিজা আক্তার (T.H.M) এবং অহনা খালেক (B.M.E)।
সাধারণ সম্পাদক মাইমুনা সুলতানা মিম বলেন, “সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও মানবিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জুলাই ৩৬ হলের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই।”
সভাপতি রাইসা আমিন লস্কর তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“শ্রদ্ধেয় প্রভোষ্ট স্যার এবং জুলাই ৩৬ হলের সকল শিক্ষার্থীকে জানাই সালাম ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।
জুলাই ৩৬ হলের নবনিযুক্ত কালচারাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । এই দায়িত্বকে আমি শুধু একটি পদ হিসেবে নয়, বরং হলের প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রতিভা, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছি।
আমার প্রধান লক্ষ্য থাকবে জুলাই ৩৬ হলের সাংস্কৃতিক পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত, সৃজনশীল ও সবার অংশগ্রহণমূলক করে তোলা। গান, নৃত্য, আবৃত্তি, অভিনয়, উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নতুন প্রতিভাগুলোকে সামনে নিয়ে আসতে চাই। এই সংগঠনের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে ঐক্য, সৌহার্দ্য, আত্মবিশ্বাস ও পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় হোক।
এই দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার জন্য সম্মানিত প্রভোষ্ট স্যারের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। স্যারের দিকনির্দেশনা এবং সকল শিক্ষার্থীর সহযোগিতা আমাদের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা রাখি।
সবশেষে, জুলাই ৩৬ হলের সকল শিক্ষার্থীকে পাশে থাকার আহ্বান জানাই। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের হলের সাংস্কৃতিক অঙ্গন আরও সমৃদ্ধ, প্রাণবন্ত ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠুক—এই প্রত্যাশা রাখছি।
জুলাই ৩৬ হল এগিয়ে যাক ঐক্য, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির আলোয়।
সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।”

