আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস (৩০ আগস্ট) উপলক্ষে শনিবার (২৯ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম বা ‘এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’। এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরমতম লঙ্ঘন। বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনার সঠিক তদন্ত সম্পন্ন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই বাণীতে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গুম হওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা জানান। তিনি বলেন, পরাজিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার দমনে গুম- অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল। গুমের শিকার ব্যক্তিদের বছরের পর বছর আটকে রাখতে তৈরি করা হয়েছিল ‘আয়নাঘর’ নামের গোপন বন্দিশালা। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, বিগত আমলে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছিল।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে গুম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে আইনি কাঠামো জোরদার করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আইনগুলো কার্যকর হলে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়াবে না। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিকটিমস ফার্স্ট, অ্যাকশনস নাউ’ স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ অপরাধে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর জবাবদিহি ও বিচারে বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানান।

