জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাইওয়ে সড়কের পাশের ঝোপ থেকে রোজিনা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের শাশুড়ি ও ভাসুরসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কামালপুর হাইওয়ে সড়কের পশ্চিম পাশের একটি ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোজিনা আক্তার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের দক্ষিণ দত্তেরচর এলাকার ওয়াজেদ আলীর মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে রোজিনা নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। সোমবার ভোরে কামালপুর হাইওয়ে সড়কের পাশে একটি ঝোপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। পরে স্বজনেরা মরদেহটি রোজিনা আক্তারের বলে শনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের শাশুড়ি ও ভাসুরসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে পুলিশ এখনো কোনো চূড়ান্ত তথ্য জানায়নি।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

