জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৫ কিলোমিটার ম্যারাথন রান’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ম্যারাথন শুরু হয়৷
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ আলী হোসেন, রেজিস্ট্রার সরওয়ার জাহান, সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আজিজুল হক, এবং মেলান্দহ থানার কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমান৷
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন,”দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে এবং গণতন্ত্র ও দেশকে ধারণ করে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জাবিপ্রবি) ছাত্রদলের এই ম্যারাথন আয়োজন একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও টার্গেট অর্জনের মাধ্যমে সুস্থ ও দক্ষ জাতি গঠনে এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এই সুন্দর আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন বলেন,”বিশ্ববিদ্যালয় কেবল অবকাঠামো নয়, এটি জ্ঞান চর্চা ও সৃষ্টির কেন্দ্র। জাবিপ্রবি ছাত্রদলের এই ‘রান ফর ডেমোক্রেসি’ বা ম্যারাথন আয়োজন অত্যন্ত সৃজনশীল ও প্রশংসনীয়। আমাদের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা থাকলেও মেধা ও সৃজনশীলতার কোনো কমতি নেই। যুবসমাজকে মাদক ও নেতিবাচকতা থেকে দূরে রেখে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করতে এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করতে এ ধরনের সৃজনশীল কর্মসূচি নিয়মিত চালিয়ে যেতে হবে।”
ম্যারাথনে ছেলে ও মেয়ে উভয় ক্যাটেগরিতে প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়৷
আয়োজকরা জানান, তরুণদের মধ্যে খেলাধুলা ও শরীরচর্চার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি, সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করা এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাবিপ্রবি শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ম্যারাথনে অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে ১৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে ১০০ টাকা নিবন্ধন ফি প্রদান করতে হয়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীও ম্যারাথনে অংশ নেন। ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য টি-শার্ট, ফিনিশার মেডেল, সনদপত্র, ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফি, খাবার, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা, পরিবহন ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়।

