প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পোশাক শ্রমিকের ছদ্মবেশে আন্দোলনে নেমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, শ্রমিকদের এই আন্দোলনে জামায়াত-ই-ইসলামি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আগে থেকেই ইন্ধন ও উসকানি দিয়ে আসছিল।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে রাশেদ খান এই বিস্ফোরক মন্তব্য তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মিরপুরে কথিত শ্রমিক আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে রয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম। রাশেদ খানের অভিযোগ অনুযায়ী, মিরপুর-১০ মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের ঘটনায় পোশাক শ্রমিক নামধারী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সরাসরি অংশ নিয়েছে।
নিজের দাবির সপক্ষে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের একটি পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে রাশেদ খান বলেন, বর্তমানে বিরোধী দল ও ক্ষমতাচ্যুত শক্তি কীভাবে হাত মিলিয়েছে, সারজিসের ফেসবুক পোস্ট তার একটি জ্বলন্ত প্রমাণ। সারজিস আলমের ওই পোস্টে শ্রমিকদের মজুরি সংক্রান্ত চলমান আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে। রাশেদ খান দাবি করেন, জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতেই ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী বলয়কে এভাবে উসকে দিচ্ছে।

