এক পরিবারে দুইজন এমপি নয়: জামায়াতের নীতিগত সিদ্ধান্তে আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি
জাতীয় সংসদে একই পরিবারের দুইজন সদস্য না রাখার নীতিগত অবস্থান থেকে জামায়াতে ইসলামী তাদের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়নি বলে জানিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আযাদ জানান, তাদের দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক পরিবারে দুইজন সংসদ সদস্য রাখার সুযোগ নেই। অতীতেও এই নীতি অনুসরণ করা হয়েছে এবং বর্তমানেও তা বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের নারী শাখায় যোগ্য নেতৃত্বের কোনো অভাব নেই। তবে কেবল যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, নীতিগত অবস্থান বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শহীদ পরিবারের একজন সদস্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, অষ্টম জাতীয় সংসদে দলটির আমিরের স্ত্রী আমেনা বেগম সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ছিলেন।
জোটের প্রার্থীরা সংসদে গিয়ে জনকল্যাণ ও দেশের স্বার্থে কাজ করবেন এবং সরকারের জনবিরোধী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রার্থী বাছাইয়ে চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশার অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন হামিদুর রহমান আযাদ।
এদিকে, এনসিপির প্রার্থী মনিরা শারমিনের সরকারি চাকরি ছাড়ার বিষয় নিয়ে তার প্রার্থিতা বহাল থাকবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না।

