বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপপর্ব শতভাগ জয়ের রেকর্ডে শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। তিনটি ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ ষোলোতে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে। তবে নকআউটের আগে একটি পরিসংখ্যান নতুন করে ভাবাচ্ছে আলবিসেলেস্তেদের সমর্থকদের।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে গ্রুপপর্বের সব ম্যাচ জিতে নকআউটে উঠলেও কখনো শিরোপা জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। এর আগে চারটি আসরে এমন কীর্তি গড়লেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি অধরাই থেকেছে।
১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে ফ্রান্স, মেক্সিকো ও চিলিকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। তবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্বাগতিক উরুগুয়ের কাছে ৪-২ গোলে হেরে রানার্সআপ হয় তারা।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে জাপান, জ্যামাইকা ও ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ওঠে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ডকে বিদায় করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়।
২০১০ বিশ্বকাপেও নাইজেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও গ্রিসকে হারিয়ে দাপটের সঙ্গে গ্রুপপর্ব শেষ করেছিল দিয়েগো ম্যারাডোনার দল। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে থেমে যায় তাদের যাত্রা।
অন্যদিকে, ২০১৪ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ইরান ও নাইজেরিয়াকে হারিয়ে শতভাগ জয় নিয়ে নকআউটে উঠেছিল। সেবার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছালেও অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপার খুব কাছে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয় লিওনেল মেসিদের।
এবারও গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। সামনে অপেক্ষা করছে চমক দেখানো কেপ ভার্দের বিপক্ষে নকআউট লড়াই। এখন দেখার বিষয়, অতীতের হতাশার পরিসংখ্যান বদলে বিশ্বকাপ জয়ের নতুন ইতিহাস লিখতে পারে কি না স্কালোনির দল।

