সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ পরীক্ষায় নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে এবার নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৬ শতাংশ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না, যা শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে নিবন্ধন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছেন প্রায় সাড়ে ৯ লাখ শিক্ষার্থী। ফলে নিয়মিত নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না।
গত বছর নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার হার ছিল ২৯ শতাংশের কিছু বেশি। সেই তুলনায় এবার অনুপস্থিতির হার প্রায় ৭ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। গত বছরও নিবন্ধিত সোয়া ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি।
এবার দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ বিষয়গুলোও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২১ দিনের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে এবং যেসব দিন পরীক্ষা থাকবে না, সেসব দিন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।

