ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ক্যান্টিনে এক নারীকে চলন্ত অবস্থায় ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার ঘটনায় দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। তাঁদের সবাইকে পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দীন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৩০ আগস্ট ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্যান্টিনে ৪৪ বছর বয়সী এক নারীকে নিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠে। ওই সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে ট্রেনের অন্য যাত্রীরা এগিয়ে এসে মূল অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিককে হাতেনাতে আটক করে দায়িত্বরত পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোট পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এজাহারে দুজন পুলিশ সদস্যের নামও সরাসরি উল্লেখ রয়েছে।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি দুলাল উদ্দীন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ আমলে নিয়ে ঘটনায় পুলিশের কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে গ্রেপ্তারকৃত মূল আসামি আবু বক্কর সিদ্দিককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

