ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ রাখা হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানে এক কোটিরও বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশের প্রতিনিধিরা এ সময় তেহরানে অবস্থান করবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, তেহরানসহ পাঁচটি শহরে আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে মোট প্রায় দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইমাম খোমেনি হুসেইনিয়ায় প্রথমবারের মতো খামেনির কফিন জনসমক্ষে আনা হয়। একই সঙ্গে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহও জনসাধারণের সামনে রাখা হয়। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। বাংলাদেশের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তেহরান, কোম এবং ইরাকের কারবালা ও নাজাফে জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৯ জুলাই খামেনিকে তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করা হবে।

