ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে এক বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে হত্যার পর আরও দুই বাংলাদেশিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিতে নিহত যুবকের নাম আসাদুজ্জামান (৩৩)। তিনি উপজেলার বৈরচুনা দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের ওয়াজ উদ্দীনের ছেলে। বিএসএফের হাতে আটক দুজন হলেন—বৈরচুনা উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে মোস্তাকিম এবং বৈরচুনা ইন্দ্রইল গ্রামের মুনষা নারায়ণের ছেলে শ্রী উদা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর চান্দেরহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৩৩৩/এমপি থেকে আনুমানিক দেড় কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে ৬৩/চকশিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহলদল গুলি চালায়। এতে আসাদুজ্জামান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈরচুনা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহাজাহান আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আসাদুজ্জামান আমার এলাকার ছেলে। আমরা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি বিজিবিকে জানাব।’
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি আপনার মতোই শুনেছি। ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশিকে গুলি করে বিএসএফ মেরে ফেলেছে।’
এ বিষয়ে ৪২ বিজিবি দিনাজপুরের সিইও আব্দুল্লাহ আল মঈনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

