যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-তে নিহত বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর তার গ্রামের বাড়িতে নেমেছে শোকের মাতম। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের লালডোবা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় বিরাজ করছে গভীর বিষাদের আবহ। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে স্বজন ও এলাকাবাসী স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার (৪ মে) সকালে ঢাকায় মরদেহ গ্রহণের পর তা বহনকারী গাড়িটি সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে জামালপুরের উদ্দেশে রওনা হয়। এরই মধ্যে লালডোবা গ্রামে দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাদ মাগরিব স্থানীয় লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লিমনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে। প্রিয় সন্তানকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় করছেন আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণারত লিমনের মরদেহ সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আনা হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তার মার্কিন রুমমেটকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। একই ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি-র মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়াও চলছে।

