এশিয়ান কাপ ফুটবলে নিজেদের অভিষেক ম্যাচে শক্তিশালী চীনকে দীর্ঘ সময় চাপে রেখেও শেষ মুহূর্তের দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। আফইদা খন্দকারের নেতৃত্বাধীন দল প্রথমার্ধের বড় একটি সময় এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের রুখে দেয়। তবে ৪৪ ও যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে পরপর দুই গোল হজম করে বিরতিতে যায় ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে।
৪৬ বছর পর এশিয়ান কাপে ফিরেছে বাংলাদেশ। ১৯৮০ সালে পুরুষ দল শেষবার অংশ নিয়েছিল এই আসরে। নারী এশিয়ান কাপে এবারই প্রথম খেলছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরুতে রক্ষণ ও মাঝমাঠে দারুণ সংগঠিত ফুটবল উপহার দেয় বাংলাদেশ। ১৪ মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি করেন ঋতুপর্ণা। বাঁ উইং দিয়ে এগিয়ে গিয়ে তার নেওয়া দূরপাল্লার শট চীনের গোলরক্ষক চেন চেন লাফিয়ে প্রতিহত করেন।
২৪ মিনিটে জিন কুনের ক্রস থেকে হেডে বল জালে জড়ান ওয়াং সুয়াং। তবে ভিএআরে অফসাইড ধরা পড়ায় প্রায় চার মিনিট পর গোলটি বাতিল হয়। ৪১ মিনিটে মনিকা চাকমার কর্নার থেকে সুযোগ পেলেও শামসুন্নাহার জুনিয়র শট নিতে পারেননি।
শেষ দিকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন। ৪৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ওয়াং সুয়াংয়ের দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় তারা। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ঝ্যাং রুইয়ের নিচু শট ডিফেন্ডার কোহাতি কিসকুর পায়ে লেগে জালে জড়ালে ব্যবধান হয় ২-০। তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধের পরিসংখ্যানে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল চীন। বল দখলে তাদের ৬৩.৩ শতাংশ, বাংলাদেশের ৩৬.৭ শতাংশ। চীন ১৩টি শট নেয়, যার ৭টি ছিল লক্ষ্যে। বাংলাদেশ নেয় ৩টি শট, ২টি ছিল লক্ষ্যে। কর্নারে চীন ৩টি এবং বাংলাদেশ ২টি সুযোগ পায়। গোলরক্ষক মিলি ও রক্ষণ মিলে ৬টি সেভ করে বাংলাদেশ, বিপরীতে চীনের গোলরক্ষক করেন ২টি সেভ।

