দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিক্ষা কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহার কমাতে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে হাইব্রিড পদ্ধতিতে পাঠদান চালুর বিষয়ে সরকার ভাবছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ বিবেচনায় রেখে শিক্ষা খাতেও সাশ্রয়মূলক উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পুরোপুরি সশরীরে ক্লাসের পরিবর্তে আংশিক অনলাইন এবং আংশিক সরাসরি উপস্থিতির ভিত্তিতে পাঠদান পরিচালনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা ও সময় কমিয়ে অনলাইনে পাঠদান বাড়ানো হলে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমবে এবং পরিবহন খরচও হ্রাস পাবে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপরও চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সময়সূচি পুনর্বিন্যাস, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো এবং বিকল্প ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকার বিভিন্ন খাতে জ্বালানি সাশ্রয়ে একাধিক নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে। ()
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হাইব্রিড শিক্ষা পদ্ধতি চালু হলে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

