৩০ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় ফেসবুকের ভেরিফায়েড আইডিতে এ বিষয়ে একটি পোস্ট করেন মাসুমা হাদি। তিনি লিখেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এর স্বাদ আমরা আজও নিতে পারিনি।
এই দায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের। এই দেশে ভিকটিমকে তার প্রতিকার না দিয়ে বরং তাকে ভিলেন বানানোর নেশায় মেতেছে একদল। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙে ফেলে চরম অন্যায় করেছে; তাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বন্দোবস্ত না করে উল্টো তাকেই হয়রানি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে; কোথায় তার হত্যার বিচারের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার কথা। তা না করে একদল লেগেছে অপ্রতিমের মায়ের কপালের টিপ নিয়ে, অপ্রতিমের নাম নিয়ে। অপ্রতিম মুসলিম না হিন্দু তাই নাকি বোঝা যায় না। ছেলে হারানো শোকে কাতর একজন বাবাকে তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি করতে হচ্ছে।
অপ্রতিমের মা শুরুতেই বলে দিয়েছেন, বিচার দিয়ে কী করবো? আমি তো আমার ছেলেকে ফিরে পাবো না। অন্যদিকে সালমান মুক্তাদির বলছেন, আমি বাংলাদেশের আইনের ব্যাপারে নাস্তিক। একটা রাষ্ট্রের শাসক শ্রেণির প্রতি কতটা অনাস্থা সৃষ্টি হলে ভিকটিমরা এমন মন্তব্য করতে পারে, এর সারমর্ম বোঝার ক্ষমতা কি আদৌ শাসক গোষ্ঠীর আছে? ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

