কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিসংখ্যান বিভাগের দুই শিক্ষার্থী ও কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ সদস্যদের মধ্যকার সংঘটিত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: এমদাদুল হককে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটি আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন জমা দিবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তা জানা যায়।
কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ছাদেক হোসেন মজুমদার, সদস্য হিসেবে আছেন বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. মহিউদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও তো ক্লেইম করা হচ্ছে। এ কারণে একটা সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া দরকার, তদন্ত ছাড়া তো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে না।’
উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন্স-সংলগ্ন এলাকায় সাদা পোশাকে পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশির ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য ও এক সোর্স পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় ছিনতাইকারী সন্দেহে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে প্রক্টর অফিসে সোর্পদকালে মারধরের ঘটনা ঘটে।

