আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা ও ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিদের বিরুদ্ধে। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মেসির করা গোলকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে এই বিতর্ক।
ম্যাচের প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করলেও পরে গোল করে বিশ্বমঞ্চে মিরোস্লাভ ক্লোজের সর্বাধিক গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন মেসি। তবে গোলটির আগে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার অস্ট্রিয়ার খেলোয়াড় জাভের শ্লাগারকে ফাউল করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ফাউলের পর ম্যাক অ্যালিস্টার বল দখল করে মেসির কাছে পাস দেন। পরে ফাকুন্দো মেদিনার ক্রস থেকে গোল করেন মেসি। অস্ট্রিয়ার খেলোয়াড়রা ফাউলের আবেদন জানালেও রেফারি খেলা বন্ধ করেননি এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) থেকেও কোনো হস্তক্ষেপ আসেনি।
এ বিষয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ডেনমার্কের সাবেক কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার শ্মাইকেল বলেন, “ম্যাক অ্যালিস্টারের ফাউলটি স্পষ্ট ছিল। মেসির কাছে বল যাওয়ার আগেই রেফারির বাঁশি বাজানো উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। মনে হচ্ছে মেসি ও আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।”
শ্মাইকেলের মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সমর্থক তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন। তাদের দাবি, টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা ও মেসিকে বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেও মেসির একটি ফাউল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মান্ডিকে পিছন থেকে ফাউল করার পর রেফারি ফাউল দিলেও মেসিকে কোনো কার্ড দেখাননি। সমালোচকদের দাবি ছিল, ওই ঘটনায় লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল।
এছাড়া অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্তিনেজের একটি ট্যাকল নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অস্ট্রিয়ার কনরাড লাইমারের ওপর করা ওই ফাউলের জন্য লাল কার্ডের দাবি উঠলেও রেফারি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি। ভিএআর থেকেও কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফিফার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

