ডায়েটের কড়া নিয়মে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষদের জন্য আজ এক ব্যতিক্রমী দিন। ৬ মে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় এমন একটি দিন, যেদিন মানুষকে উৎসাহ দেওয়া হয় কঠোর খাদ্যনিয়ম থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করতে। দিনটি শুধু খাওয়ার স্বাধীনতাই নয়, বরং শরীরকে ভালোবাসা ও ইতিবাচকভাবে দেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও বহন করে।
বর্তমান সময়ে ফিট থাকার প্রবণতায় অনেকেই কঠোর ডায়েট অনুসরণ করেন। তবে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ অনেক সময় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে দিনটি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়, সুস্থতার জন্য ভারসাম্য জরুরি—শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, আনন্দও প্রয়োজন।
এই দিনের সূচনা হয় ১৯৯২ সালে, যখন মেরি ইভান্স ইয়াং নামের এক নারী নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এটি চালু করেন। খাদ্যজনিত সমস্যায় ভোগার পর সুস্থ হয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। সেই উপলব্ধি থেকেই শুরু হয় এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি প্রয়োজন মানসিক স্বস্তি ও আনন্দ। খাবারের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি। এই দিনটি তাই মনে করিয়ে দেয়—খাবারকে ভয় নয়, উপভোগ করতে শিখতে হবে।

