২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের বহুল আলোচিত হাফটাইম শোতে পারফর্ম করেছেন বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী বিটিএস, শাকিরা, ম্যাডোনা ও জাস্টিন বিবার। তবে এই ঐতিহাসিক আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য তারা কোনো নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক পাননি। পরিবর্তে বিশ্বব্যাপী বিপুল দর্শকের সামনে নিজেদের উপস্থাপন এবং এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সুবিধা অর্জনের সুযোগকেই শিল্পীদের প্রধান প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের বিরতিতে অনুষ্ঠিত সুপার বোল ধাঁচের হাফটাইম শোতে অংশ নেওয়া শিল্পীদের কোনো ফি দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের এনএফএল সুপার বোল হাফটাইম শোর প্রচলিত নীতির অনুসরণেই ফিফা এই আয়োজন পরিচালনা করে। এ ব্যবস্থায় শিল্পীদের পারিশ্রমিক না দিয়ে পুরো প্রযোজনা, মঞ্চ নির্মাণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও অন্যান্য লজিস্টিক ব্যয় বহন করে আয়োজক সংস্থা। তবে রিহার্সালে অংশ নেওয়া শিল্পীদের সীমিত পরিসরে দৈনন্দিন ভাতা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্বব্যাপী শতকোটি দর্শকের সামনে সরাসরি পরিবেশনা শিল্পীদের জন্য বিশাল প্রচারণার সুযোগ তৈরি করে। এ ধরনের আয়োজনের পর সাধারণত সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের গান বিক্রি, ডিজিটাল স্ট্রিমিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা এবং ব্র্যান্ড মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। আগের বিশ্বকাপের সংগীত আয়োজনে অংশ নেওয়া শিল্পীরাও একই ধরনের সুবিধা পেয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফিফার সম্প্রসারিত বিনোদন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত প্রায় ১১ মিনিটের এই জমকালো হাফটাইম শোতে চার আন্তর্জাতিক তারকা এক মঞ্চে পারফর্ম করেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মঞ্চায়ন, আলো-ঝলমলে পরিবেশ এবং দ্রুতগতির পরিবেশনার মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি বিশ্বের কোটি কোটি দর্শককে মুগ্ধ করে এই আয়োজন।

