রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সিঙ্গাপুর থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তবে এ ধরনের তথ্য সত্য প্রমাণিত হলে সরকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
ভারতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে জনগণের মতামত ও স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যমান সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জেই গোরের আসন্ন ঢাকা সফর নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে এই উচ্চপর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে সরকার আশা করছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সফরে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট ও ভিসাসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিলতা নিরসনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান শামা ওবায়েদ ইসলাম।

