ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক বলেছেন, নির্বাচিত হলে কালশী ও মিরপুর এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের উচ্ছেদ–ভীতি চিরতরে দূর করতে স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি।
বুধবার নির্বাচনী প্রচারণার সপ্তম দিনে মিরপুর সিরামিক ও উত্তর কালশী এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন আমিনুল হক। এদিন সকাল থেকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করেন।
গণসংযোগ শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি বলেন, “আমি এই এলাকারই মানুষ। এখানকার সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে দেখেছি। সবচেয়ে বড় সংকট হলো উচ্ছেদের আতঙ্ক। নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের জন্য স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম কাজ।”
এ সময় তিনি এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত অবকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। আমিনুল হক বলেন, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও জলাবদ্ধতা এলাকাবাসীর নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে একটি উপযুক্ত স্থানে কবরস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
প্রচারণার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, “সপ্তম দিনের প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও নিরপেক্ষ বয়োজ্যেষ্ঠরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুক্ত হচ্ছেন। এতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।”
তবে প্রচারণার মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন আমিনুল হক। তার দাবি, জামায়াত প্রার্থী ও তার কর্মীরা ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করছেন এবং আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশ নম্বর নিচ্ছেন। এসব ঘটনার ভিডিও প্রমাণ তার কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে দ্রুত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলেও জানান।
গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ভোটারদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, কোনো ধরনের উসকানি বা প্রলোভনে পা না দিয়ে উন্নয়ন ও নিরাপদ ভবিষ্যতের স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিতে।


1 Comment
I am always thought about this, thankyou for putting up.