২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বাজারমূল্য নিয়ে নতুন এক বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রান্সফাররুম। খেলোয়াড়দের বয়স, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, সম্ভাব্য বাজারমূল্য, ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সুযোগ, চুক্তির মেয়াদ এবং তারা কোন লিগে খেলছেন—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দলগুলোর বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকায় সবচেয়ে মূল্যবান দল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। দেশটির স্কোয়াডের মোট বাজারমূল্য প্রায় ১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ইউরো। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন, যার বাজারমূল্য ১ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ইউরো। এরপর রয়েছে ইংল্যান্ড (১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ইউরো), জার্মানি (১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ইউরো) এবং পর্তুগাল (১ দশমিক ০১ বিলিয়ন ইউরো)।
বিশ্ব ফুটবলের দুই ঐতিহ্যবাহী পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাও রয়েছে তালিকার শীর্ষ সারিতে। ব্রাজিলের ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪১ মিলিয়ন ইউরো, যা তাদের ষষ্ঠ স্থানে রেখেছে। অন্যদিকে, লিওনেল মেসিকে নিয়ে আর্জেন্টিনার স্কোয়াডের মূল্য ধরা হয়েছে ৭৩৯ মিলিয়ন ইউরো, যা তাদের অষ্টম অবস্থানে স্থান দিয়েছে।
ব্রাজিল দলে একদিকে যেমন রয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনহার মতো প্রতিষ্ঠিত তারকা, তেমনি আছেন তরুণ প্রতিভা এন্ড্রিক ও রায়ান। পাশাপাশি অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে সমৃদ্ধ করছেন নেইমার ও দানিলোর মতো খেলোয়াড়রা। ব্রাজিল স্কোয়াডের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২৮ মিলিয়ন ইউরো। তবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়ের সম্মিলিত তালিকায় তিনি রয়েছেন দশম স্থানে।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। তার বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ২৫৪ মিলিয়ন ইউরো। দ্বিতীয় স্থানে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড, যার মূল্য ১৯৯ মিলিয়ন ইউরো। তৃতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপের বাজারমূল্য ১৮০ মিলিয়ন ইউরো।
একসময় ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ছিলেন নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে যোগ দিতে তার জন্য রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফি পরিশোধ করেছিল ফরাসি ক্লাবটি। তবে বয়স ও ধারাবাহিক চোটের কারণে বর্তমানে তার বাজারমূল্য আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

